Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

শিরোনাম
সোনাহাট ব্রীজ
স্থান
জেলা সদর হতে ৪৬কি:মি: এবং উপজেলা সদর হতে মাত্র ৬কি:মি: পূর্বদিকে।
কিভাবে যাওয়া যায়
বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে কুড়িগ্রাম এসে ভুরুঙ্গামারী গামী লোকাল বাসে মাত্র ৫০ টাকা ভাড়ায় ভুরুঙ্গামারীতে নামতে হবে। পরে মাদার গঞ্জ গামী লোকাল বাসে মাত্র ৫ টাকা অথবা ১৫ টাকায় অটোরিক্সা যোগে অথবা ২০ টাকায় রিক্সায় সোনাহাট ব্রীজে পৌছাতে পারবেন।
বিস্তারিত

নাম

বিবরন

 

 

 

সোনাহাট ব্রীজ

কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলা সদর থেকে ৬কিঃ মিঃ পূর্ব দিকে  পাইকেরছড়াইউনিয়নে সোনাহাট ব্রীজটি অবস্থিত। ১৮৮৭-১৮৮৭-তে ইংরেজরা তাদেরসৈন্য ও রসদ চলাচলের জন্য লালমনিরহাট থেকে ভুরুঙ্গামারী হয়ে ভারতের মনিপুররাজ্যে যাবার জন্য গোয়াহাটি পর্যন- যে রেল লাইন স্থাপন করে তারই অংশ হিসাবেসোনাহাট রেলওয়ে ব্রিজ তৈরী করা হয়। ব্রিজটি প্রায় ১২০০ ফুট লম্বা। ১৯৭১-এমহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধারা এই ব্রিজের একটি অংশ ভেঙ্গেদেয়।পরবর্তীকালে তা প্রেসিডেন্ট এরশাদ সরকারের আমলে কুড়িগ্রাম জেলার সাবেকগভর্নর কুড়িগ্রাম-১ আসনের তৎকালীন এম,সি, ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ,মহানমুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ভুরুঙ্গামারীতে ১ম উপজেলা চেয়ারম্যান মরহুম শামসুল হকচৌধুরীর প্রানের দাবী সোনাহাট ব্রীজ পুনঃ সংস্কারের আবেদন কয়েক বার জাতীয়সংসদে পেশ হলে কচাকাটার কৃতি সন্তান জাতীয় পার্টির সাংসদ মরহুম আ,খ,ম, শহীদুল ইসলাম বাচ্চুর সময়ে তা আবারও মেরামত করা হয়।এই ব্রিজটি দুধকুমর নদীরউপর নির্মিত। বর্তমানে এটি সাধারন ব্রিজের মতোই ব্যবহৃত হচ্ছে।